Life Style

প্রচন্ড গরমেও সতেজ গ্লাস স্কিন পান ঘরে থাকা উপাদান দিয়েই

তীব্র তাপদাহে ঘরে- বাইরে একই রকম অসহ্য অবস্থা! এর যেনো শেষ নেই। আর ত্বকের ও অবস্থা যাচ্ছেতাই! অয়েলি স্কিনে বেড়ে যায় র‍্যাশ, এলার্জি, পিগমেন্টেশন, আর কমলার খোসার মতো ওপেন পোরস!

শুষ্ক ত্বক হয়ে পড়ে প্রাণহীন বয়স্ক! আর সেনসিটিভ স্কিনে তো প্রবলেমের মহোৎসব চলে!

বাজারের নামিদামি প্রোডাক্টস দিয়ে হাজার হাজার টাকা বাজেট করে স্কিন কেয়ার অনেকের জন্যই বিলাসিতা। কোরিয়ান বা জাপানিজ ১১ থেকে ২১ স্টেপ ফলো করাও অসম্ভব!

তাই সবার কথা মাথায় রেখে ঘরে থাকা উপাদানেই বলতে এলাম গ্লাস স্কিনের রহস্য! আপনি তৈরি তো?

✅ সকাল শুরু করুন মৃদু গরম পানি পান করে। এতে টক্সিন, পেটের ও ত্বকের জীবাণু পরিষ্কার হয়।

✅ এলার্জি ও র‍্যাশ কমাতে নিম পাতা ও আমলকির গুড়া অল্প পরিমাণে পানিতে মিশিয়ে পান করুন। নিমের গুড়ায় ত্বকের সেনসিটিভিটি, এলার্জি, ফোলাভাব কমে। আমলকি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বাড়ায়, ত্বক টানটান রাখে। ওপেন পোরস কিছুটা মসৃণ হয়।

✅ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কমপক্ষে ৩ লিটার পানি ও স্বাস্থ্যকর তরল পান করুন। আমের জুস৷ আখের গুড়ের শরবত, ঘরে বানানো লাচ্ছি বা ডাবের পানি পান করুন। এতে ত্বক হাইড্রেটেড থাকে, শুষ্কতা ও বলিরেখা কমে।

✅ সকালে ঘুম থেকে উঠেই পাতলা কাপড় বা ট্যিসু পেচিয়ে আইস কিউব মুখে হালকাভাবে রাব করুন। এটা এখন ইন্টারন্যাশনাল হিরোইনদেরও বিউটি সিক্রেট। এতে ফোলাভাব কমে, ত্বক টানটান হয় ও ওপেন পোরস কমে।

✅ সকালে ও রাতে দুইবার ভালোমানের ফেস-ওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। এরপর স্যুট করে এমন একটি ময়েশ্চারাইজার এপ্লাই করুন। রোদে যাওয়ার আগে ভালোমানের সানস্ক্রিন এপ্লাই করুন।

✅ সিজনাল ফল খান। এতে ত্বক কোমল হয়, ভেতর থেকে পুষ্টি যোগায়।

✅ রাতে ত্বকের অতি শুষ্ক এরিয়াতে পিওর ভ্যাসলিন ব্যবহার করুন।

এভাবে নিয়মিত সবগুলো টিপস মেনে চললে যত শুষ্ক বা ডাল স্কিনই হোক না কেন, গ্লাস স্কিনের উজ্জ্বলতা আসবেই।

বিশ্বাস না হলে ক্যালেন্ডারে দাগ দিয়ে আজ থেকেই শুরু করুন আজ ৩০ দিনে দেখুন ফলাফল!

Back to top button